MV. Tanguar Haor– Dhaka to Tanguar Haor Cruise Tour

🛳️ আমাদের নিজস্ব শিপ এমভি টাঙ্গুয়ার হাওর
🔹প্রথম শ্রেণীর শিপ
🔹প্রতিটি রুমে এসি, এটাচড বাথ, গিজার
🔹মোট ২৮টি রুম ৭৫ জন অতিথির জন্য
🔹শিপে পানির নিচে গেষ্টের কোন রুম নাই
🔹কনফারেন্স রুম,দোতালায় লাইভ কিচেন
🔹মুভি থিয়েটার, কিডস প্লেগ্রাউন্ড, জ্যাকুজি
🔹কোন বাঙ্ক বেড নাই (উপর নিচে বেড)
বিস্তারিত  আলোচনা করতে আমাদের ফোন নম্বর / হোয়াটসঅ্যাপ ও অফিসে যোগাযোগ করুন। ফোন: 01711336825 (Whats App) ও 01678076361 to 69 (Whats App)

সরাসরি ঢাকা থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত জাহাজ এ নদী পথে নিকলী – মিঠামইন হাওড় হয়ে টাঙ্গুয়ার হাওড় ভ্রমন

Call: +880 1711336825, 01402288573, 01678076361-69

সরাসরি ঢাকা থেকে মেঘালয় এর পাদদেশ এ দীর্ঘ এই নৌ ভ্রমনে আপনি অসংখ্য নদী ভ্রমন এর সাথে এক ভ্রমনে নিকলী – মিঠামইন হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর সরাসরি ভ্রমন ছাড়াও, আসা যাওয়ার পথে অসংখ্য ছোট হাওর – বিল ও গ্রামীন প্রকৃতি উপভোগ করতে পারবেন। হাওরের মাঝে কোলাহল মুক্ত পরিবেশ এ রাত্রী যাপন এর সুযোগ ও মিলবে এই ট্রিপে।

থাকার ব্যবস্থা: এম ভি টাঙ্গুয়ার হাওর (শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লাক্সারী ট্যুরিস্ট জাহাজ)

জাহাজ ছাড়ার স্থান: পূর্বাচল ৩০০ ফিট কাঞ্চন ব্রীজ সংলগ্ন, কাঞ্চন মেরিনা ও অস্ট্রিচ হারবার ঘাট।

ভ্রমণের তারিখ

– ২৫ – ২৯ জুন  ২০২৬
– ০২ – ০৬ জুলাই ২০২৬
– ০৯ – ১৩ জুলাই ২০২৬
– ১৬ – ২০ জুলাই ২০২৬
– ২৩ – ২৭ জুলাই ২০২৬
– ৩০ জুলাই – ০৩ আগস্ট ২০২৬

– ০৬ – ১০ আগস্ট ২০২৬
– ১৩ – ১৭ আগস্ট ২০২৬
– ২০ – ২৪ আগস্ট ২০২৬
– ২৭ – ৩১ আগস্ট ২০২৬

– ০৩ – ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
– ১০ – ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
– ১৭ – ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
– ২৩ – ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নোট: এছাড়া ৭০-৮০ জন এর গ্রুপ হলে অনান্য যে কোন দিন কর্পোরেট বা গ্রুপ বুকিং করতে পারবেন।

ভ্রমণ খরচ

ঢাকা-নিকলী হাওর-টাঙ্গুয়ার হাওর-ঢাকা  | ৪ রাত ৩ দিন

– প্রতিজন ২০,০০০ (সেকেন্ড ফ্লোর)(VIP Room 115, 116, 3 Person 60,000)
– প্রতিজন ১৮,০০০ (ফাস্ট ফ্লোর)

– চাইল্ড পলিসি: ০-০৩ বছর ফ্রী, ০৩-০৫ বছর ৮,০০০ প্রতিজন [বাবা মায়ের সাথে বেড শেয়ারিং, খাবার ও এন্ট্রি ফিস সহ]

– বুকিং মানি: ৫০% (ফেরত যোগ্য নয়)

ভ্রমণ স্পট

– নিকলী হাওর।
– মিঠামইন অল ওয়েদার রোড, প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট এরিয়া।
– টাঙ্গুয়ার হাওড় (ওয়াচ টাওয়ার, হিজল/করচ বন)।
– নিলাদ্রী লেক/ শহীদ সিরাজ লেক ও পাতাল কূপ।
– লাকমাছড়া।
– বারিক টিলা।
– যাদুকাটা নদী।
– শিমুল বাগান অথবা রাজাই/লালঘাট ঝর্না।

– এছাড়া যাওয়া আসার পথে, শীতলক্ষ্যা নদী, ধলেশ্বরী নদী, মেঘনা নদী, ঘোড়াউত্রা নদী, কালনি নদীর মুখ, ধনু নদী, খালিয়াজুড়ি হাওর, বৌলাই নদী, পাটলাই নদী সহ অগনিত নদী মাতৃক বাংলার রুপ

এক্টিভিটি

– ৩ দিন ৪ রাত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত জাহাজ এ প্রায় ৬৫০-৭৫০ কিমি নদী ও হাওর ভ্রমন।
– জাহাজ এর ২৬০০ স্কয়ার ফিট বিশাল ছাদে আডডা ও ফ্রি টাইম কাটানো। পূর্নিমার চাঁদ উপভোগ।
– লাইভ বার বি কিউ।
– হাওরে গোসল, ছোট নৌকাতে ভ্রমন।
– পায়ে হেটে মেঘালয় সাইড এর সৌন্দর্য উপভোগ।
– ফটোগ্রাফি।
– নদী ও হাওর পারের মানুষ ও জেলেদের জীবন জীবিকা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকন।
– স্থানীয় শিল্পী দের নিয়ে লোকজ সংগীত সন্ধ্যা। (যদি সম্ভব হয়)

প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত

– প্রতিদিন তিন বেলা  ডবল মেন্যুর খাবার ও  ২ বেলা স্নাক্স থাকবে। চা এবং কফির ব্যাবস্থা থাকবে পর্যাপ্ত।
– জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।
– লাইফ জ্যাকেট। পর্যাপ্ত পরিমান বয়া।
– ফাস্ট এইড।
– প্রার্থনা কক্ষ।

স্পেশাল ফিচার

– ক্যানেল ক্রুজিং
– BAR-B-Q

প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত নয়

– ব্যক্তিগত খরচ
– বীমা
– প্যাকেজে উল্লেখ নেই এমন কোন খরচ

খাবার

প্রথম দিন

– বিকেলের স্ন্যাক্স: ওয়েলকাম ড্রিংক্স (ফলের জুস), চাওমিন/পেয়ার মাখা

রাতের খাবার: প্লেইন রাইস, মাছ ভুনা/ গ্রেভেয়া, দুই রকমের ভর্তা, চিকেন কারি, ঘন ডাল, সালাদ, কাপ দই ।

দ্বিতীয় দিন

সকালের খাবার: সকালের খাবার পরোটা, ডিম ওমলেট, মিক্স ভেজিটেবল, সুজির হালুয়া, মুগের ডাল

সকালের স্ন্যাক্স : কেক, কলা ।

দুপুরের খাবার: প্লেইন রাইস, হাসের মাংস, লাউ চিংড়ি, পাবদা মাছের কারি, দুই রকমের ভর্তা, ডাল, সালাদ, স্থানীয় মিষ্টি।

বিকেলের স্ন্যাক্স: ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, স্যুপ

রাতের খাবার: ফ্রাইড রাইস, চাইনিজ ভেজিটেবল, ফিস বারবিকিউ, চিকেন বারবিকিউ, বুটের ডাল, রাইতা, সালাদ, সফট ড্রিঙ্কস।

তৃতীয় দিন

সকালের খাবার: ভুনা খিচুড়ি, বেগুন ভাজি, ডিম কারি, মিক্সড আচার, সালাদ।

সকালের স্ন্যাক্স: কেক, সিজনাল ফল

দুপুরের খাবার: প্লেইন পোলাউ, ডিমের কোর্মা, মিক্সড ভেজিটেবল, চিকেন কারি, সালাদ, মিনারেল পানি, কোল্ড ড্রিঙ্কস।

বিকেলের স্ন্যাক্স: নুডলস, পাকোড়া

রাতের খাবার: প্লেইন রাইস, মিক্সড ভেজিটেবল, হাস ভুনা, ফিস ফ্রাই, দুই রকমের ভর্তা, ঘন ডাল, সালাদ, লোকাল দই বা মিষ্টি

চতুর্থ দিন

সকালের খাবার: লুচি, আলুর দম, ডিম মামলেট, সুজির হালুয়া ।

সকালের স্ন্যাক্স: সিংগারা ও পেয়ারা।

দুপুরের খাবার: সাদা ভাত, ডিমের ভর্তা, করল্লা ভাজি, ঢেড়স ভাজি, শাক, দুই ধরণের ভর্তা, চিকেন ঝাল কারি, ফিস ফ্রাই, টমেটো চাটনি, মিক্স সালাদ, ভেজিটেবল, মুড়িঘন্ট, লোকাল মিস্টি।

বিকেলের স্ন্যাক্স: অন্থন, স্যুপ।

রাতের খাবার: প্লেইন রাইস, মাটন রেজালা, ফিস কারি, দুই রকমের ভর্তা, মিক্সড ভেজিটেবল, ঘন ডাল, সালাদ (অপশনাল), লোকাল মিস্টি।

নোট: বাজারে প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে খাবারের তালিকা কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে

ভ্রমণ বিস্তারিত

– সন্ধ্যা ৫.০০ টায় শিমুলিয়া (কাঞ্চন মেরিনা ঘাট) থেকে জাহাজ ছেড়ে সুনামগঞ্জ এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা। শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী,  মেঘনা, ঘোড়াউত্রা নদী ধরে ছুটে চলবে জাহাজ, ১ম রাত জাহাজ এ অবস্থান ।

– ১ম দিন : সকালে জাহাজ নোঙর করবে নিকলী। ছোট টলার এ করে নিকলী ও অলওয়েদার সড়ক ভ্রমন করে ফিরে এসে টাঙ্গুয়ার হাওড় এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা। ধনু নদী, বৌলাই নদী হয়ে ২য় রাতে টাঙ্গুয়ার হাওর এ অবস্থান।

– ২য় দিন: সকালে টাঙ্গুয়ার হাওড় ওয়াচ টাওয়ার এর কাছে জাহাজ নোঙর করবে। ছোট নৌকায় ওয়াচ টাওয়ার ভ্রমন করে, হাওরের পানিতে গোসল শেষ এ জাহাজ এ ফিরে আসা। জাহাজ চলবে নিলাদ্রী লেক এর উদ্দেশে। ডাম্পের বাজার ব্রীজ এর কাছে জাহাজ নোঙর। লোকাল চান্দের গাড়িতে করে শিমুল বাগান, নিলাদ্রী লেক, বারিক কেটিনা, লাকমাছড়া (সময় সাপেক্ষ) ভ্রমন (১ চাঁদের গাড়ি তে ১৩ জন)।  জাহাজ এ ফিরে এসে বার বি কিউ ডিনার। ৩য় রাতে মেঘালয় এর কাছে ডাম্পের বাজার ব্রীজ এ অবস্থান।

– ৩য় দিন: খুব সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হব । ঢাকা পৌঁছাতে ২৪ ঘন্টা সময় লাগবে.।

– পরের দিন সকালে ০৬:০০ টায় জাহাজ থেকে (শিমুলিয়া কাঞ্চন মেরিনা ঘাট) নেমে যাবো এবং ট্রিপ এর সমাপ্তি।